ঢাকা রবিবার, ৯ই আগস্ট ২০২০, ২৬শে শ্রাবণ ১৪২৭


বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনামসজিদ স্থল বন্দরে রাজস্ব আদায় ২১৮ কোটির অধীক


প্রকাশিত:
১৬ জুলাই ২০২০ ১১:১৩

আপডেট:
৯ আগস্ট ২০২০ ২০:৪৪

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনামসজিদ স্থল বন্দ
নিউজ ডেস্ক : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ধস নেমেছে। ফলে অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৪৫০ কোটি ৫৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা। কিন্তু রাজস্ব আয় হয়েছে ২১৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩১ কোটি ৬৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা রাজস্ব আয় কম হয়েছে। 
 
রাজস্ব আয় কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে সোনামসজিদ কাস্টমস, আমদানি রপ্তানীকারক গ্রুপ সিএন্ডএফ এজেন্ট, শ্রমিক সমন্বয় ও পানামার নেতারা জানান, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাবে ভারত থেকে পণ্য আমদানি কমে গেছে। এ কারণেই আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। 
 
এছাড়া করোনাভাইরাসের কারণে গত এপ্রিল ও মে মাসে স্থলবন্দরে আমদানী রপ্তানী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কোনো রাজস্ব আয় হয়নি। সোনামসজিদ স্থলবন্দরে অর্থ বছরে প্রথম থেকেই আমদানী রপ্তানী কম হওয়ার কারণে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তাছাড়া গত ২৮ অক্টোবর থেকে পেঁয়াজ আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় রাজস্ব আয়ে কমে যায় বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে। 
 
এছাড়াও সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সোনামসজিদে আমদানিকৃত পণ্যে শতভাগ রাজস্ব আদায় করার কারণে কিছু কিছু ফল আমদানীকারক অন্য বন্দর দিয়ে সুযোগ সুবিধা পাওয়ায় ওই সব বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করে। 
 
সকল স্থলবন্দরগুলোতে সরকারের একই নিয়মে রাজস্ব আদায় করা হলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সব চেয়ে পণ্য আমদানী হবে এবং রাজস্ব আয়ও লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে অনেক গুণ বেশি হবে বলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানী রপ্তানী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তোফিকুল ইসলাম বাবু জানান। 
 
তিনি জানান, কোন কোন বন্দরে সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ওই সব বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করেছে। এছাড়াও সোনামসজিদ বন্দরে পাথর আমদানির ক্ষেত্রেও মাঝে মধ্যেই জটিলতার কারণে আমদানি বন্ধ থাকে। এর কারণেও রাজস্ব আয় অর্জিত হয়নি।
 
মহানন্দা ২৪ / কপোত নবী


আপনার মূল্যবান মতামত দিন: