ঢাকা মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর ২০২০, ৫ই কার্তিক ১৪২৭


সুদিন ফিরছে সোনালি আঁশের; রফতানি বাড়ছে পাট ও পাটজাত পণ্যের!


প্রকাশিত:
৭ অক্টোবর ২০২০ ০৭:০৪

আপডেট:
৭ অক্টোবর ২০২০ ০৭:০৪

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ গত জুলাই মাসে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫ পাটকলে উৎপাদন বন্ধ করে ২৪ হাজার ৮৮৬ স্থায়ী শ্রমিককে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তবে সরকারী পাটকলগুলো বন্ধ হলেও পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রফতানি আয় বেড়েই চলেছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে গত তিন মাসে রফতানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে এই খাত থেকেই। এই সময়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার আয় করেছে দেশ। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পরিবেশের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় বিশ্বে পাট পণ্যের চাহিদা নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে।

এই মহামারীর বছরেই পাটের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন তারা। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার আয় করেছে দেশ।

এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি এসেছে প্রায় ১২ শতাংশের মতো। গত অর্থবছরে ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করে সঙ্কটে পড়া চামড়া খাতকে (৭৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার) পেছনে ফেলে তৈরি পোশাকের পরের স্থান দখল করে নিয়েছে পাট খাত।

আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছিল ১০২ কোটি ডলার। আর পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে ৮১ কোটি ৬২ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। সে হিসেবে এক বছরে চামড়ার রফতানি যতটা কমেছে, তার তুলনায় পাটের রফতানি বেড়েছে।

এছাড়া করোনাভাইরাসের কারণে গত অর্থবছরে তৈরি পোশাকসহ বড় সব খাতের রফতানি আয়ে ধস নামলেও পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয়ে বরাবরই দেখা গেছে উল্টো চিত্র। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ৫১ লাখ ডলার।

গত বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় কমেছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে এই তিন মাসে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: