ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ ২০২১, ২০শে ফাল্গুন ১৪২৭


পরীক্ষা ছাড়াই যে পদ্ধতিতে দেয়া হলো এইচএসসির ফল


প্রকাশিত:
৩০ জানুয়ারী ২০২১ ১৪:১৬

আপডেট:
৩০ জানুয়ারী ২০২১ ১৪:১৯

নিউজ ডেস্কঃ  করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছরের (২০২০) উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পর্যায়ে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ (৩০ জানুয়ারি ২০২১) শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রণয়নে জেএসসি/জেডিসি এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার বিষয় ম্যাপিং পদ্ধতি তুলে ধরে ফলাফলের পরিসংখ্যানে বলা হয়-সাধারণভাবে জেএসসি/সমমান পরীক্ষার ২৫ শতাংশ ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ৭৫ শতাংশ বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিবেচনা করে এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি এবং আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ২৫ শতাংশ ও এসএসসির আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি এবং আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ৭৫ শতাংশ বিবেচনা করে এইচএসসিতে আবশ্যিক এই তিন বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসির গণিত এবং বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ ও এসএসসির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি/সমমানের পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি পরীক্ষার গ্রুপ ভিত্তিক তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ফলের পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়, গ্রুপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জেএসসি/সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশের সঙ্গে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

জিপিএ উন্নয়ন ক্ষেত্রে উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আংশিক বিষয়ের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অকৃতকার্য বিষয়ের নম্বর বণ্টনের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতিতে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও ফলের পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: