ঢাকা রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ই আশ্বিন ১৪২৭


দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ স্যানিটেশনের আওতায়!


প্রকাশিত:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১০:৪৭

আপডেট:
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১০:৪৭

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ স্যানিটেশনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল। শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ স্যানিটেশনের আওতায় এসেছে। এক ভাগ মানুষ এখনও স্যানিটেশনের আওতায় আসেনি। নানা কারণে তারা এর আওতায় আসতে পারেনি। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই এক ভাগ মানুষকেও স্যানিটেশনের আওতায় আনা হবে। এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা এখনও শতভাগ স্যানিটেশনে যেতে পারিনি। কারণ অনেক বস্তি, নদী ভাঙ্গা মানুষ, বেদে পরিবারের জন্য স্যানিটেশন সুবিধা পাচ্ছেন না। শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ স্যানিটেশনের আওতায় চলে এসেছে। এই এক ভাগ মানুষের জন্য সরকার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের স্যানিটেশনের আওতায় আনা হবে। এসডিজি অর্জনে স্যানিটেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরকারের কর্মপরিকল্পনার মধ্যে তাদের বিষয়টিও রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশ প্রায় শতভাগ স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় চলে এসেছে। সারাদেশে স্যানিটেশন ব্যবস্থা শতভাগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শতকরা ৯৯ ভাগ জনগণ মৌলিক স্যানিটেশনের অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে ৬২ ভাগ জনগণ উন্নত ল্যাট্রিনের আওতাভুক্ত রয়েছে। বাকি ২৮ ভাগ জনগণ যৌথ ল্যাট্রিন এবং ১০ ভাগ অনুন্নত ল্যাট্রিন ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে খোলা স্থানে মলমূত্র ত্যাগের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। ২০০৩ সালে মাত্র ৪২ শতাংশ মানুষ স্যানিটেশনের আওতায় ছিলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সামগ্রিক পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঝড় জলোচ্ছ্বাস কবলিত উপকূল অঞ্চলসমূহে, পৌর এলাকায়, গ্রোথ সেন্টার, ইউনিয়ন পরিষদ ও কিছু কিছু সমস্যাসঙ্কুল এলাকায় উন্নত স্যানিটারি ল্যাট্রিন, পাবলিক টয়লেট ও কমিউনিটি ল্যাট্রিন স্থাপন করেছে। বর্তমানে চলমান ‘জাতীয় স্যানিটেশন (৩য় পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্প থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশব্যাপী বিভিন্ন এলাকায় পিট ল্যাট্রিন স্থাপন করা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, জাতীয় স্যানিটেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। দেশের কোন মানুষ এখন আর খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে না। এক শতাংশের কম মানুষ খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে। এই এক শতাংশ মানুষের জন্যও কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তাদেরও স্যানিটেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: