ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪শে নভেম্বর ২০২০, ১১ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের গ্লোবের টিকা!


প্রকাশিত:
১৮ অক্টোবর ২০২০ ২৩:৩০

আপডেট:
২৪ নভেম্বর ২০২০ ১৮:৪০

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ দেশি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের আবিষ্কৃত বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯-এর টিকা প্রি-ক্লিনিক্যাল টেস্টের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

গতকাল শনিবার গ্লোব বায়োটেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ডব্লিউএইচওর ওয়েবসাইটেও তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। জানতে চাইলে টিকা আবিষ্কারক দলের প্রধান গবেষক ও গ্লোব বায়োটিক লিমিটেডের সিইও ড. কাকন নাগ আমাদের সময়কে বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত ব্যানকভিড ভ্যাকসিনের তিনটি ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তিনটি হচ্ছে, D614G variant mFNA Vaccine, DNA Plasmid Vaccine, Adonocirus Typo-5 Vcctor Vcaccine. বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেক-ই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যাদের সর্বোচ্চ তিনটি ভ্যাকসিনের নাম তালিকায় রয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়। আমরা সবাই আজ আনন্দিত।

গতকাল শনিবার গ্লোব বায়োটেক লিমিটের পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ডব্লিউএইচও গত ১৫ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের আবিষ্কৃত উল্লিখিত তিনটি ভ্যাকসিন কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

গত ২ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন তৈরির ঘোষণা দেয় গ্লোব বায়োটেক। ওই সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, প্রাণীর ওপরে ভ্যাকসিনটির ট্রায়াল শেষ করতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ লাগবে। এর পর প্রাণিদেহে ভ্যাকসিনটি সফল প্রমাণিত হলেই তারা মানবদেহে ট্রায়াল পরিচালনার অনুমতির জন্য আবেদন করবেন।

গত বুধবার গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের আবিষ্কৃত টিকা ‘ব্যানকোভিড’-এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করতে কন্ট্রাক্ট রিসার্স অর্গানাইজেশন (সিআরও) আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্র ‘আইসিডিডিআরবি’র সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেছে। এ প্রসঙ্গে গবেষক দলের প্রধান ড. কাকন নাগ বলেন, আইসিডিডিআরবি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: