ঢাকা বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ৯ই আশ্বিন ১৪২৭


স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মানুষের পাশে রয়েছেন নেতাকর্মীরা!


প্রকাশিত:
২৪ আগস্ট ২০২০ ০৮:১৫

আপডেট:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:৩৫

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতেও খুলনায় মানুষের পাশে রয়েছে আওয়ামী লীগ।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু থেকেই ওয়ার্ডভিত্তিক সামাজিক স্বেচ্ছাসেবক কমিটি মাঠে কাজ করছে। তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পাড়া-মহল্লায় দোকানপাট বন্ধ ও লকডাউনে প্রশাসনকে সহায়তা করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিয়মিত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দলীয় কর্মকান্ড পালন করেছে খুলনা আওয়ামী লীগ। খুলনায় করোনাকালের রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, করোনায় খুলনায় স্বাস্থ্যসেবায় যেন কোনো ঘাটতি না হয় সেজন্য দলীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

করোনা চিকিৎসায় হাই ফ্লো হিউমিডিফায়ার, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটরসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষায় পারসোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্টের (পিপিই) ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুস্থ নেতা-কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হলে তাদেরও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সিটি মেয়র বলেন, করোনাকালে রাজনীতির চেয়ে মানবিক বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জনসচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট বিতরণ, জীবাণুনাশক স্প্রে ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, নির্দিষ্ট সময়ের পর দোকানপাট বন্ধ রাখা, সন্ধ্যার পর কোনো স্থানে আড্ডা না দেওয়া ও রাত ৮টার পর বাড়ি থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি যারা করোনায় দুর্ভোগে পড়েছেন তাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।

ওয়াডভিত্তিক দুস্থ, অসহায় মানুষের নির্ভুল তালিকা তৈরিতেও নেতা-কর্মীরা সহায়তা করেছেন। সাংগঠনিক পরিকল্পনা সম্পর্কে খুলনা নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দলকে চাঙ্গা করতে করোনার পর শুরুতেই মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পেলে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, অন্য সময়ে দলীয় কর্মকান্ড বেশি থাকলেও করোনায় তা কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দলীয় কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন কর্মীরা।

সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী, শোকের মাসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন, সিরিজ বোমা হামলা দিবস, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও সীমিত পরিসরে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছেন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: