ঢাকা সোমবার, ২৯শে নভেম্বর ২০২১, ১৬ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮


জাহাঙ্গীরের মুক্তিতে আতঙ্কে এলাকাবাসী


প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:২৬

আপডেট:
২৯ নভেম্বর ২০২১ ০৮:৩৬

নিউজ ডেস্ক : চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভুমি দখলসহ নানা অভিযোগ রয়েছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘোড়াঘাট থানায় তার বিরুদ্ধে ৪টা মামলা রয়েছে। এসব মামলায় জামিনে মুক্ত আছে জাহাঙ্গীর। সম্প্রতি ইউএনও ওয়াহিদার উপর হামলার ঘটনায় জাহাঙ্গীরের অনুসারি হিসেবে পরিচিত আসাদুলকে আসামি করা হলেও জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীরের এই মুক্তি নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে ঘোড়াঘাট এলাকাবাসীকে।

 

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ২৩ ঘন্টার মধ্যে সন্দেহভাজন তালিকায় প্রথমে জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হিলির কালিগঞ্জ গ্রাম থেকে আটক করা হয় জাহাঙ্গীরের অনুচর হিসেবে পরিচিত আসাদুলকে। দুজনকে র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হলেও ১০ ঘন্টা পর ছেড়ে দেয়া হয় জাহাঙ্গীরকে।

 

এলাকাবাসী জানায়, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভুমি দখলসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত এই জাহাঙ্গীর। আর এসব কাজে সহযোগী হিসেবে তার সাথেই থাকতো আসাদুল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর সন্ত্রাসী হামলা নিছক চুরির ঘটনা মানতে নারাজ তারা।

 

সম্প্রতি কিছুদিন আগেই করোনা পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণের সময় পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলনের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত মামলার প্রধান আসামী জাহাঙ্গীর ও আসাদুল। জাহাঙ্গীর এ মামলায় জামিন নিলেও পালিয়ে ছিল আসাদুল।

 

অন্যদিকে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলি সাদিক জানান, নানা অপকর্মের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বারবার বললেও তা হয়নি।

 

গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আসাদুল ও তার সহযোগী নবিরুল ও সান্টু ৭দিনের রিমান্ডে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: