ঢাকা বুধবার, ২৮শে জুলাই ২০২১, ১৪ই শ্রাবণ ১৪২৮


শিবগঞ্জে ৩ লাখ মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো


প্রকাশিত:
১৫ জুলাই ২০২১ ২৩:০২

আপডেট:
১৫ জুলাই ২০২১ ২৩:১১

নিউজ ডেস্কঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ২০০ বছর পেরিয়ে গেলেও একটি সেতুর অপেক্ষায় ৬টি ইউনিয়নের ৩ লাখ মানুষ। বহু পুরনো এ ঘাটে একমাত্র বাঁশের সাঁকোই হচ্ছে নদী পারাপারের শেষ ভরসা।

শিবগঞ্জের শ্যামপুর ইউনিয়নে পাগলা নদীর ওপর বটতলা ঘাট দিয়ে শ্যামপুর, মনাকষা, শাহাবাজপুর, বিনোদপুর, কানসাট ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের মানুষ ঘাটটিতে নির্মিত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে পারাপার হয়। এ ঘাটের এপারে ও ওপারে ৫টি কলেজ, ১০টি উচ্চবিদ্যালয়, ৭টি মাদ্রাসাসহ প্রায় ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শ্রাবণ থেকে অগ্রহায়ন মাস পর্যন্ত নৌকায় পারাপার হতে হয় বটতলা ঘাট দিয়ে। বাকি ৭ মাস বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে হয়। এর ওপর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বার বার দেয়া হলেও প্রতিশ্রুতি প্রতিশ্রুতিই থেকে যায়, হয়নি ব্রিজ।

বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে যাত্রীদের দিতে হয় অতিরিক্ত টোল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইজারাদার চেয়ে বেশী টোল আদায় করলে প্রতিবাদ করে কোন লাভ হয়না।

শ্যামপুর ইউনিয়নের তারেক রহমান বলেন, এ ঘাটে ব্রিজ নির্মাণের জন্য ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত তিনজন সংসদ সদস্যকে অনুরোধ করেও কোন সুরাহা মেলেনি। নির্বাচন আসলে তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচন শেষ হলে তারা আর খোঁজ নেন না এ অঞ্চলের মানুষের।

শাহাবাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম বলেন, পাগলা নদীর ওপর প্রায় ২০০ বছরের এ পুরাতন বটতলা ঘাট দিয়ে ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ লাখ মানুষ অতি কষ্টে পারাপার হয়ে থাকে। তবুও এখন পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সূদৃষ্টি পড়েনি এখানে। দূর্ভোগ কমাতে ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান, ইতোমধ্যে ঘাটটির উপর দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে মাটি পরিক্ষার কাজ সম্পর্ন হয়েছে। এখন ডিজাইন, অর্থ বরাদ্দর পর অনুমোদন পেলেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: